Sarahati sindrani

সাড়াহাটি

সাড়াহাটির ভূমিকা

ইছামতি নদীর তীরবর্তী উত্তর ২৪ পরগনা ও নদীয়াজেলাকে একটি ব্রিজ বা সেতুর দ্বারা যুক্ত করেছে সাড়াহাটি গ্রাম। এই গ্রামের কেন্দ্র বিন্দু হল সাড়াহাটি বাজার। সাড়াহাটি বাজার আর দত্তপুলিয়া বাজার পরস্পর পরিপূরক। শুধুমাত্র ভৌগোলিক স্থান হিসেবে আলাদা। সাড়াহাটি বাজার থেকে বনগাঁ সড়ক পথ গ্রামটিকে দুটি ভাগে ভাগ করেছে। অপর একটি পথ পশ্চিম দিকে দত্তপুলিয়া হয়ে রানাঘাট ও কৃষ্ণনগরকে যুক্ত করেছে।

সাড়াহাটির নামকরণ

যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হওয়ায় বহু বছর আগের থেকে আশেপাশের গ্রাম থেকে মানুষজন তাদের ক্ষেতের ফসল, শাকসবজি এই গ্রামের ইছামতি নদীর ধারে হাট বসাতো। বিশেষ করে ইছামতি নদীর জল পথের মাধ্যমে নৌকা বা ইঞ্জিন চালিত নৌকার মাধ্যমে বহুদূর থেকে এই বাজারে বা হাটে মানুষজন তাদের জিনিসপত্র আনতো এবং বিভিন্ন জিনিষ পত্রের হাট বাজারে বসতো। ক্রমশ এই ‘হাট’ থেকেই এই গ্রামের নাম সাড়াহাটি হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।
তবে ইছামতি নদীর নাব্যতা কমে আসায় জলপথটি বন্ধ হয়ে গেলেও সড়ক পথের মাধ্যমে এই হাটের আমদানি ও রপ্তানি ক্রমশঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সাড়াহাটির শিক্ষাব্যবস্থা

সাড়াহাটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৫৪ সালে স্থাপিত। বিদ্যালয়ে ৬০ থেকে ১০০ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে প্রথম শ্রেণী থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করানো হয়। ২ থেকে ৪ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা আছেন।

Sarahati Fp School

সাড়াহাটির স্বাস্থ্যব্যবস্থা

সাড়াহাটি বাজারের পাশেই সাড়াহাটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র অবস্থিত। যদিও স্বাস্থ্য পরিষেবা চালু হয়নি। গৃহ নির্মাণ হচ্ছে। সাড়াহাটি বাজারের কাছে এই সাড়াহাটি ‘বারোয়ারী’ মন্দিরটি অবস্থিত। গ্রামের ভিতরের দিকে একটি ক্লাব আছে।

সাড়াহাটির সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

শীতকালে প্রতিবছর ____ দ্বারা পরিচালিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়ে থাকে‌।

সাড়াহাটির নিকটবর্তী রেলস্টেশন

১) আরংঘাটা ——-> ১০ কিমি

২) রানাঘাট ——-> ১০ কিমি

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.