Raghabpur sindrani

রাঘবপুর

রাঘবপুর গ্রামের নামকরণ

প্রচলিত লোককথা অনুসারে এই গ্রামের নামকরণের একটা কাহিনী আছে। তা-হলো রাঘব নামে একজন কুখ্যাত ডাকাত/ব্যক্তি বসবাস করতেন তিনি আশেপাশের বাজার ঘাট থেকে পথচলতি মানুষের জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে আসত এবং তিনদিকে জলভাগ দিয়ে ঘেরা(বাওর) এই গ্রামের জঙ্গলে আশ্রয় নিতে। ক্রমশ ওই ব্যক্তি কয়েকজন লোক নিয়ে একটা দল বা গোষ্ঠীর তৈরি করে, সেই থেকে ওই রাঘব নামে ব্যক্তির নাম অনুসারে “রাঘবপুর” নামটি প্রচলিত বলে মনে করা হয়।

তবে যাই হোক গ্রামটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কিন্তু অপূর্ব। ভৌগলিক দিক দিয়ে দেখলে মনে হবে যে এই গ্রামটি অশ্বক্ষুরাকৃতি একটি হ্রদ এবং গ্রামটির পশ্চিম দিক দিয়ে ‘ইছামতি‘ নদী প্রবাহিত হয়েছে। এই ইচ্ছামতী নদী ও বাওয়োরের (দিঘী) এর উপর নির্ভর করে এখানকার জীবন ও মানুষের জীবিকা গড়ে উঠেছে। তবে বর্তমানে ইচ্ছামতী নদী তার আপন গতি হারিয়ে বৃদ্ধা ইছামতিতে পরিণত হয়েছে। যদিও বর্ষার সময় বর্ষার জলে পরিপূর্ণ হয়ে পূর্ণ যৌবনা ইছামতি নদী সে তার আপন বেগে প্রবাহিত হয়। ফলে আশেপাশের কৃষি জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পায়। এখানে সবুজে ঘেরা প্রকৃতি,মাঠ এবং মানুষ সবাই মিলেমিশে বসবাস করে।

রাঘবপুরের শিক্ষাব্যবস্থা

এই গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি মিডডেমিল স্কুল আছে। রাঘবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ___ সালে স্থাপিত।

রাঘবপুরের পূজা পার্বণ

রাযবপুর গ্রামের সবচেয়ে জনপ্রিয় পার্বণ হলো “খেদাই তলার মনসা পূজা“। এই পার্বণ টি প্রতিবছর শ্রাবণ সংক্রান্তিতে হয়। এই উপলক্ষে খেদাইতলার আর আশেপাশের গ্রাম থেকে কয়েকশো মানুষের সমাগম হয়।

Khadaitala_Komalabas (Raghabpur)
Khadaitala_Komalabas (Raghabpur)

এছাড়া চরক পূজা ধুমধাম সহকারে হয়ে থাকে।

রাঘবপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে অন্যতম হলো ইচ্ছামতী নদীর তীরবক্ষে গড়ে ওঠা “শীতলারফরেস্ট“। এখানে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে বহু দূর দূরান্ত থেকে বহু মানুষ পিকনিক এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করার জন্য আসেন।

রাঘবপুরের ভূচিত্র

স্বাস্থ্যকেন্দ্র

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র বলতে এখানে কিছু নেই তবে কয়েকজন আশাকর্মী আছে যারা গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.